Select Menu
  • Home
  • Blog Design
  • Widgets
    • HTML Editor
    • HTML Parser
    • Counter Tool
    • Css Minifier
    • Live Viewer
    • Color Code
  • SEO
  • Online Earning
  • Technology
  • About Us
  • Contact Us
  • Download
  • About Us
  • Contact Us
  • Privacy
  • Sitemap
  • Download

ভূগোল ডট ইন :: Bhugol.in

  • Home
  • Blog Design
  • Widgets
  • SEO
  • Android
    • Adroid Tips
    • Android Apps
    • Android News
  • Earning
  • Error404
Blog
Blog লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Blog লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৭

ভূগোল প্রেমী

নিপানী অঞ্চল

 সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৭     Blog      No comments   

দাক্ষিণাত্য কৃষ্ণমৃত্তিকা অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত এক তামাক চাষ অঞ্চলকে নিপানী বলে


★★ অবস্থান== 

মহারাষ্ট্রের কোলাহরপুর ও কর্ণাটকের বেলগাঁও জেলায় বিস্তারিত অংশে নিপানী অঞ্চল অবস্থিত।

নিপানী অঞ্চল
নিপানী অঞ্চল 



★★ আয়তন==


তামাক চাষ অধ্যুষিত নিপাণী অঞ্চলটি ৪০,৫০০ হেক্টর স্থান জুড়ে অবস্থিত।

★★ বৈশিষ্ট==

১. নিপানী অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি ধাপযুক্ত ও বন্ধুর ভূ-প্রকৃতি

২. এই অঞ্চলের মৃত্তিকা উর্বর ও জল ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন.

৩. এখানে কৃষ্ণ মৃত্তিকার অবস্থান দেখা যায়.

৪. নিপানী অঞ্চলটি ভারতের এক অন্যতম উৎকৃষ্ট তামাক উৎপাদন অঞ্চল হিসাবে চিহ্নিত.

Read More

রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৭

ভূগোল প্রেমী

মালাবারের কয়াল

 রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৭     Blog      4 comments   

মালাবারের গর্বের "কয়াল"


কয়াল কি সেটি আমরা প্রায় সবাই জানি।। তার আগে লেগুন কি সেটি আগে জানি।। "লেগুন বা উপহ্রদ হল- স্থলভাগ দ্বারা আবদ্ধ এবং একদিক সমুদ্রে উম্মুক্ত লবণাক্ত জলের হ্রদকে উপহ্রদ বা লেগুন বলে। ভারতের বৃহত্তম লেগুন হল 'চিল্কা' যেটি আবার এশীয়ার ও বৃহত্তম লেগুন হিসাবে পরিচিত।
মালাবারের কয়াল
মালাবারের কয়াল

সাধারণত কেরল রাজ্যের মালাবার উপকুলের উপহ্রদ গুলিকে #কয়াল বলে।

এটি কিভাবে সৃষ্টি? 

ভু আন্দোলনের ফলে মালাবার উপকুল বরাবর উত্থান ও নিমজ্জন ঘটেছে (তাই একে আমরা যৌগিক উপকুল বলে)। এই উত্থান ও নিমজ্জনের চিহ্ন স্বরুপ এখানে অসংখ্য জলাভূমি বা ব্যাকওয়াটার সৃষ্টি হয়েছে। এই জলাভূমিকেই স্থানীয় ভাষায় "কয়াল" বলা হয়।।

--> কয়াল সৃষ্টির মতবাদ হিসাবে আরো কটি মতবাদ প্রচলিত রয়েছে, সেটি হল...অনেক সময় অগভীর সমুদ্রোপকূল অঞ্চলে সমুদ্রের ঢেউ বা নদীর বয়ে আনা বালি, নুড়ি,কাঁকড় প্রভৃতি সঞ্চিত হয়ে উপকূলের প্রায় সমান্তরাল ভাবে লম্বা বাঁধের সৃষ্টি হয়। কালক্রমে এই বাঁধের পিছনে বৃষ্টি বা সমুদ্রের জল আবদ্ধ হয়ে ধীরে ধীরে মূল সমুদ্র থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ওই বাঁধের সঙ্গে মূল ভূখন্ড যুক্ত হয়ে পড়ায় বাঁধের পিছনে প্রায় আবদ্ধ জলাভূমি বা ব্যাকওয়াটারস এর সৃষ্টি হয়।

আয়তন- এটি ১৫০০ কিমি দীর্ঘ একটি জালিকা বিন্যাশ। যেটিতে প্রায় ৩৮ টি নদী ও ৫ টি বৃহৎ হ্রদের দ্বারা সমৃদ্ধ।
ব্যাকওয়াটার
ব্যাকওয়াটার
এর নাম ব্যাকওয়াটার হল কেন? প্রচলিত আছে যে, ওই হ্রদের জল টি প্রকৃতপক্ষে মিষ্টি নদীর জল। যেটি নদীর মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে আসে, যেটি আবার কৃষিকাজে ব্যাবহৃত হয় এবং পুনরায় আবার ফিরে যায় এই জন্য একে ব্যাকওয়াটার বলে (মতপার্থক্য থাকলে জানাতে ভুলবেন না) এর সাথে সমুদ্রের ও যোগাযোগ রয়েছে।

Venice of the East--- কেরালার কোচি থেকে ৬৮ কিমি দূরে অবস্থিত Alappuzha কে Venice of the East বলা হয়। এখানে অসংখ খাল, ব্যাকওয়াটার, হ্রদ, সমুদ্র সৈকতে সমৃদ্ধ অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা এক অসাধারণ প্রাকৃতিক শোভাতে মুগ্ধ হয়ে Lord Curzon একে Venice of the East হিসাবে বর্ণণা করেছেন।

এখানে জাতীয় জলপথ-৩ কোল্লাম থেকে কোট্টাপুরম পর্যন্ত প্রায় ২০৫কিমি পথ অতিক্রম করেছে এই ব্যাকওয়াটারের সমান্তরালে।

বৈশিষ্ট-- ১) এগুলি এক ধরনের উপহ্রদ। 
২) এগুলি লবণাক্ত জলের হ্রদ। 
৩) এগুলি স্থলভাগ দ্বারা আবদ্ধ এবং এর একদিক সমুদ্রে উম্মুক্ত। 
৪) এগুলি সাধারণত অগভীড় ও দীর্ঘ হয়। 
৫) স্থানিয় মানুষদের যোগাযোগ ব্যাবস্থায় বিশেষ ভূমিকা রয়েছে এই কয়ালের। 
৬। এটি পর্যটন শিল্পের জন্য বিখ্যাত, এখানকার হাউস বোট গুলি পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

কিছু কয়ালের উদাহরণ- ভেম্বনাদ, অষ্টমুদি, ভেলী লেক।

ভারতের বৃহত্তম কয়াল হল-- ভেম্বনাদ(২০৩৩ কিমি/বর্গতে)।
Read More
ভূগোল প্রেমী

সোনালী চতুর্ভূজ

 রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৭     সোনালী চতুর্ভূজ , Blog      3 comments   

স্বপ্নের সোনালী চতুর্ভুজের অন্তরালে


Read More

সোমবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৭

ভূগোল প্রেমী

বিশ্বের সবচেয়ে ছোটো নদীর রহস্য

 সোমবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৭     Blog      No comments   

“Guinness Book of World Record”। এমন একটি বই,যেখানে পৃথিবীর সমস্ত দুর্লভ ঘটনা ও বস্তুর সম্বন্ধে তথ্য রেকর্ড করা থাকে। এই বই টি প্রথম প্রকাশ করা হয় ১৯৫৫ সালে।দেখতে দেখতে ৬০ বছর অতিক্রান্ত করে ফেলেছে এবং পৃথিবীর এমন কিছু অভাবনীয় তথ্য সংগ্রহ করেছে, যেগুলি সাধারণ মানুষের কল্পনার বাইরে। কিন্তু কখনো কখনো এই বই এর প্রকাশক দের কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়, আজকে আমরা সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় পৃথিবীর সব থেকে “ছোটো নদী”(দৈর্ঘ্যের বিচারে) রেকর্ডের দিক থেকে এই বই তে কার নাম যুক্ত করা আছে? ‘ডি’ না ‘রোই’??

যদি আপনাদের জিজ্ঞাসা করা হয়, পৃথিবীর সব থেকে ছোটো নদীর নাম কী? আপনাদের মধ্যে কেউ কেউ বলবেন ‘ডি’ আবার কেউ কেউ বলবেন ‘রোই’। কিন্তু এর সঠিক উত্তর কি? তাহলে আমাদের এর সম্পূর্ণ ইতিহাস সম্পর্কে অবগত হতে হবে। তাহলে ‘ডি’ নদীকে দিয়ে শুরু করা যাক।

‘ডি’ নদী উৎপন্ন হয়েছে ‘ডেভিল’ নামে এক হ্রদ (Devil's Lake,USA) থেকে এবং পতিত হয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরে। প্রাথমিক প্রবাহে 'ডি‘ খুব সরু ও পুঁচকে দেখতে। তাৎক্ষনিক ভাবে ফানেলের আকার ধারণ করে ডেভিল হ্রদ থেকে মিষ্টি জল কে নিয়ে গিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে ফেলে। এটি ৩০ ফুট চওড়া এবং গভীরতা ৩ ফুট এর বেশি হবেনা।
Devil's Lake,USA
এই হ্রদ থেকেই ‘ডি’ নদীর সৃষ্টি
প্রতি বছর কয়েক হাজার পর্যটক এখানে বেড়াতে আসে এখানকার সমুদ্র সৈকতের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে। তাই এখানে গড়ে উঠেছে বিশ্রাম নেওয়ার আস্তানাও। এই নদীর পাশদিয়ে একটি জাতীয় সড়ক প্রবাহিত হয়েছে, যার নাম ‘Hwy.101’। এই সড়ক্টি ডিলেক শহরের(বর্তমান নাম Lincoln City) সাথে যুক্ত হয়েছে। সেই সময় ‘ডি’ নদীর স্থানিয় নাম ছিলো-
“the mouth of Devils Lake”
“the channel to Devils Lake”
“Devil’s Creek”
“Delake Creek”
“The outlet” ইত্যাদি।

‘ডি’ নদী
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন ‘ডি’ নদীর একটি অংশকে।

এর পর ১৯৪০ সালে,ডিলেকের(Delake) একটি সংস্থার উদ্বেগে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় দেশ ব্যাপি।এই প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য হল, এই নদীর নামকরণ করা। অবশেষে, Mrs. Johanna Beard নামে এক ব্যাক্তি নদীটির নাম ‘ডি’(D) দেওয়ার প্রস্তাব দেন এবং তাঁর এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে তিনি  প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন। এবং সবশেষে U.S. Geographic Board-এই ‘D’ নামটি অফিশিয়ালি গ্রহণ করলে, এই নদীর প্রকৃত নাম হয় ‘ডি’।

১৯৬৫ সালে আমেরিকার ওয়াশিংটন ডি. সি. এর ‘Geodetic-Geographic Board’ এর মতানুসারে ‘ডি’ নদীর দৈর্ঘ্য হল ৪৪০ ফিট বা ১৩৪ মিটার। এবং এটিকে “Guinness Book of World Record”-এ নথিভুক্ত করা হল পৃথিবীর সবচেয়ে ছোটো নদী হিসাবে।

কিন্তু প্রায় ২২ বছর পর ১৯৮৭ সালে এই উপাধি হারাতে হয় ‘রোই’ নদীর কাছে। যখন গ্রেট ফল, মন্টানার,(ইউ.এস.এ) একটি স্কুল দাবি করে যে ‘রোই’ নামে একটি নদীর দৈর্ঘ্য ২০১ ফুট বা ৬১ মিটার। তাই ‘রোই’ নদী কেই পৃথিবীর ছোটো নদী হিসাবে ঘোষো না করা উচিত।

Roi river
ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন ‘রোই’ নদীর একটি অংশকে।

‘রোই’ নদীর উৎপত্তি মুসৌরি নদীর একটি সাদু জলের ঝর্ণা থেকে। এই নদীটিকে জনগনের সামনে আনেন মন্টানার একটি স্কুলের ছাত্র  A. Petersen এবং প্রাক্তন ফুটবল খেলোয়ার Dallas Neil.

কিন্তু বিষয়টা এত সহযে মেটার ছিলনা, যখন Lincoln City, শহরের একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার(Gene T. Ginther) পুনরায় সার্ভে করে ‘ডি’ নদীর দৈর্ঘ্য পরিমাপ বলেন, প্রকৃত পক্ষে ‘ডি’ নদীর দৈর্ঘ্য হল ১২০ফিট বা ৩৭ মিটার। তাই পূনরায় “Guinness Book of World Record” এর আধিকারিকদের ডেকে ভাবনা চিন্তা করতে বলা হল।

তখন বিষয়টা পরিষ্কার হল যে, ‘ডি’ নদী মহাসাগরের মধ্যে কিছুটা প্রবাহ পথ রয়েছে, যেটি উচ্চ জোয়ার ও নিম্ন জোয়ারের সময় দৈর্ঘ্যর হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে থাকে। এবং তাঁরা এটাও বল্লেন যে, ‘ডি’ নদীর মোহনায় যেটিকে সবাই উপসাগরের অংশ হিসাবে চিহ্নিত করে থাকে, সেটি আসলে ‘ডি’ নদীর জোয়ার ভাটার ফলে সৃষ্ট পলল সমতলভূমি।

তাই “Guinness Book of World Record” এর আধিকারিক রা দুই পক্ষকে খুশি করে, সিদ্ধান্ত নিলেন ‘ডি’ ও ‘রোই’ নদীকে যুগ্ম ভাবে এই সন্মান প্রদান করা হবে কিন্তু যদি পৃথিবী সবচেয়ে ছোটো নদী হিসাবে চিহ্নিত বা বিবেচনা করতে হয় তাহলে সেটি হল ‘রোই’ নদী।

Edited by- Rajkumar Guria

**প্রমাণ হিসাবে নিচে কিছু লিঙ্ক দেওয়া হল
https://en.wikipedia.org/wiki/D_River
http://bigskyblog.com/roe-river-worlds-shortest-river-located-in-montana/
https://www.reference.com/geography/world-s-smallest-river-34096acfaf037393



Read More
হোম

Blog Archive

  • নভেম্বর 2017 (8)
  • অক্টোবর 2017 (3)
  • এপ্রিল 2017 (1)

Popular Posts

  • ২২ শে এপ্রিল উল্কা বৃষ্টি হতে চলেছে?
    সম্ভবত ২১ ও ২২ শে এপ্রিলের মধ্যে আমরা একটি  উল্কা বৃষ্টির  সাক্ষী হতে চলেছি।  কিন্তু এটিকে আমরা দেখতে পাব কিনা সন্দেহ আছে এই বিষয়ে। এর কার...
  • ব্ল্যাক হোল
    ব্ল্যাক হোল মহা বিশ্বের সবচেয়ে বড় রহস্য, সবচেয়ে বড় মহাজাগতিক বিস্ময়, ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর।. ব্ল্যাক হোল হলো আমাদের সূর্যে...
  • GSAT-17 যোগাযোগ উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করল ভারত
    GSAT-17 ISRO -এখনো পর্যন্ত ২৩ টি দেশের প্রায় ১৮০ টি উপগ্রহ মহাকাশে সাফল্যের সাথে পাঠিয়েছে। যা থেকে  ISRO  এর প্রায় ৬৭৩ মিলিয়ন ডলার লাভ...

Labels

  • সোনালী চতুর্ভূজ
  • Blog

Facebook Fan

  • হোম

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Powered by: Blogger
About Us | Contact Us | Privacy | Sitemap | Terms Condition | Others
Copyright © ভূগোল ডট ইন :: Bhugol.in All Rights Reserved |